সরকারী সম্পত্তি ব্যক্তিনামে নামজারী করে দেয়ার অভিযোগ

vola

বোরহানউদ্দিন (ভোলা) উপজেলা সংবাদদাতা : ভোলার বোরহানউদ্দিনে সহকারী কমিশনার ভূমি মনোয়ার হোসেন, কুতুবা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান ও ভূমি অফিসের অফিস সহকারী মো. জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে সরকারী ভিপি সম্পত্তি বিধি বহির্ভূতভাবে নামজারি করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগে জানা যায়, তারা ২০১২ সালের সরকারী গেজেটের ”ক” তালিকাভুক্ত কুতুবা মৌজার ৬৯৩ নাম্বার খতিয়ানের ২৯২০ ও ৩১০৯ নাম্বার দাগের ৬৬ শতক জমি ভূমিদস্যু আলমগীর গংদের নামে নামজারি করে দেন।
আলমগীর ওই জমির উপর দিয়ে বোরহানউদ্দিনে স্থাপিত ২২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাসের পাইপ যাওয়ায় ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে ভোলা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এলএ (ল্যান্ড একুইজিশন) শাখায় আবেদন করেছেন। সরকারী সম্পত্তি রক্ষা করার পরিবর্তে নামজারী করে ব্যক্তি নামে রেকর্ড করে দেয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নামজারি মোকদ্দমা বিএন ৭৯১-১৪/১৫ মূলে ৬৬ শতক জমি কুতুবা ইউনিয়নের লক্ষিপুর গ্রামের আলমগীরের নামে ১৫৬২ নাম্বার খারিজ খতিয়ানে রেকর্ড করা হয়। খতিয়ানের দাগে ওই জমির ২৯২০ দাগ ছোট খাল ও ৩১২০ দাগ সাধারণের ব্যবহারের জন্য খাল লিপিবদ্ধ আছে।
কুতুবা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজমূল আহসান জোবায়েদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাজাদা তালুকদার প্রশ্ন রাখেন, এ ধরনের ঘটনা ঘটলে জনগণ যাবে কোথায়। ভোলার সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট বশিরউল্লাহ ও ফরিদুর রহমান জানান, কোন অবস্থাতেই রাস্তা, খাল নামজারী করা যায় না। ক্ষতিপূরণ পাবার ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এলএ,কেস নং-৫/১৩-১৪(১৩৩) নাম্বার স্মারকে ভূমি হুকুম দখল কর্মকর্তা ইমতিয়াজ হোসেন গত ১৪ জুন বোরহানউদ্দিন সহকারী কমিশনারের দপ্তরে ওই জমির নথি তলব করা হয়।
এ ব্যাপারে মো.আলমগীর জানান, তিনি আদালতের খাজনার নিলাম বলে ওই জমি নামজারি করিয়েছেন। তবে সরকারী জমি নামজারী করালেও কখনও সরকারকে বিবাদী করেননি। কুতুবা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান জানান, ভিপি সম্পত্তির বিষয়টি উপজেলা ভূমি অফিস দেখে, এ নামজারির ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। বোরহানউদ্দিন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনোয়ার হোসেন জানান, কাগজপত্র না দেখে কিছু বলা যাচ্ছে না।
#

এ সম্পর্কিত আরো লেখা