নরসিংদীতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত

gun-fight

নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী পৌর এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আরিফ হোসেন (২৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৮টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

আরিফ সদর উপজেলার মাধবদী পৌর এলাকার বিরামপুর মহল্লার হালিম মিয়া ওরফে হালিম ড্রাইভারের ছেলে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, সন্ত্রাসী আরিফ, আজিম ও হাদি নামে তিন সন্ত্রাসী অস্ত্র নিয়ে সৈকারদী এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুপন কুমার সরকার সোমবার রাত আড়াইটার দিকে পাঁচদোনা-ডাঙ্গা সড়ক এলাকার সৈকারদী এলাকায় অভিযান চালায়।

সেখানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। পরে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে আরিফ দুই পায়ে ও পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। আজিম ও হাদি দৌড়ে পালিয়ে যায়।

পরে আরিফকে আহত অবস্থায় রাত ৩টার দিকে নরসিংদী ১০০ শয্যার জেলা হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ভোর ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সোয়া ৮টার দিকে আরিফ মারা যান।

জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মিজানুর রহমান জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসকের বরাত দিয়ে বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আরিফ নামে এক রোগীকে পুলিশ নিয়ে এসেছিল। তার দুই হাঁটুতে দুটি এবং ডান বুকের পিছনে অর্থাৎ পিঠে একটি গুলিবিদ্ধ ছিল। বুকের গুলিটি সম্ভবত ফুসফুসে আটকে ছিল। তাই জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠায়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন জানান, নিহত আরিফ পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে ৯টি মামলা রয়েছে। এরমধ্যে তিনটি হত্যা, চারটি বিস্ফোরক, একটি ডাকাতিসহ মোট ৯টি মামলা। তার লাশ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলেই আছে। আমাদের লোকজন গেছে। বন্দুকযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তার সঙ্গে আরো দুজন সন্ত্রাসী ছিল। তাদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান অব্যাহত আছে।

এ সম্পর্কিত আরো লেখা