মীর কাসেমের পক্ষে-বিপক্ষে চূড়ান্ত যুক্তি উপস্থাপন বুধবার

mir_kashem_ali1455003788

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর আপিল শুনানিতে আগামীকাল পক্ষে-বিপক্ষে চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবে রাষ্ট্র ও আসামীপক্ষ।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান।

আগামীকালের আপিলের চূড়ান্ত শুনানিতে প্রথমে রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবে। পরে মীর কাসেমের পক্ষে তার আইনজীবীরা আইনী পয়েন্টে যুক্তিতর্ক উপস্থান শেষ হলে আগামীকালই মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষামাণ রাখা হতে পারে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

আদালতে মীর কাসেমের পক্ষে অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এস এম শাহজাহান ছিলেন।

এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মীর কাসেমের পক্ষে প্রাথমিক যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন তার আইনজীবীরা। গত ৯, ১০, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি মীর কাসেমের আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড থেকে বেকসুর খালাস চেয়ে আপিল করেন মীর কাসেমের আইনজীবীরা। আপিলে তার খালাসের পক্ষে ১৮১টি যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।

২০১৪ সালের ২ নভেম্বর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মীর কাসেমকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আনা ১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা জসিম ও জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে হত্যার দায়ে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। এর মধ্যে ১২ নম্বর অভিযোগে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে রায় দেওয়া হয়।

এ ছাড়া ২ নম্বর অভিযোগে ২০ বছর, ৩, ৪, ৬, ৭, ৯ ও ১০ নম্বর অভিযোগে মীর কাসেম আলীকে সাত বছর করে এবং ১৪ নম্বর অভিযোগে ১০ বছর কারাদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অপরদিকে ১, ৫, ৮ ও ১৩ নম্বর অভিযোগ থেকে মীর কাসেমকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এ সম্পর্কিত আরো লেখা