গাজীপুরে জুয়া-হাউজির আসর ভেঙ্গে দিল প্রশাসন

Mela

মোস্তফা কামাল, গাজীপুর থেকে : রাতের আধারে যুবসমাজ ধংসের মূল কারণ হয়ে দাড়িয়ে ছিল হাউজি জুয়া আর অশ্লিল নৃত্যে মেতে থাকতো যুব সমাজ। প্রতি দিনিই ঘটতো ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড গড়ে উঠছিল সম্প্রতি। গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার পৌরসভার ২নং বিএন্ডবি বাজারে দীর্ঘ ৮ মাস আগে গড়ে উঠে এই সব অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের মেলা।
স্থানীয় প্রভাবশালী সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের পরিচলনায় গড়ে উঠেছিল। মেলার বিরুদ্ধে পৌর পিতা মো. আনিছুর রহমানের নেতৃত্ত্বে মাওনা চৌরাস্তায় প্রায় দুই কি.মি রাস্তা জুড়ে মানবন্ধন করেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক ফোরাম। এর পরও বন্ধ হয়নি।
এর কয়েক দিন পর পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র বহুজনবসতি এলাকায় কেওয়া বাজারে গড়ে উঠে জোয়ার আরেকটি মেলা। তাতেও স্থানীয় প্রশাসনের টনক নড়েনি। এর পর যেন জোয়া নগরীতে রুপ নিচ্ছে শ্রীপুর।
গাজীপুর ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে একই জুয়া-হাউজির মেলা বসায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের সহযোগিতায় গফরগাঁওয়ের জুয়া ব্যবসায়ী জয়নাল উরফে জয়নাল পুলিশ, জুয়াড়ি রফিক এবং জমিদাতা জুয়াড়ি আলাউদ্দিন। তাদের নেতৃত্বে গড়ে উঠে এই মেলা। মেলা বন্ধে অনেক জাতীয় দৈনিকে মেলার বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা প্রসাশকের। তার ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকাল থেকেই জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ও স্থানীয় উপজেলা প্রসাসনের কর্তাব্যক্তিদের যৌথ অভিযানে দুপুরের মধ্যে তিনটি স্পটে মেলার প্যান্ডেল ভেঙে সরঞ্জামাধী জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউনো) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে জুয়া হাউজির স্পটে মোবাইল কোর্টের অভিযান চালানো হয়। যুবসমাজ ধংস করছে এমন কিছু শ্রীপুরে গড়ে উঠতে দিবে না উপজেলা প্রশাসন। তাই সকাল থেকেই মেলার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে প্যান্ডেলসহ মেলার যাবতীয় সরঞ্জাম আমরা জব্দ করেছি।
জেলার নির্বাহী মেজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ্ আল মামুন জানান, সকল সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। যারা সমাজের এই ধরনের অপরাধ সংগঠিত করে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযানে আরো ছিলেন, উপজেলা সহকারি ভূমি অফিসার মো.মাসুজ রেজা।
#

এ সম্পর্কিত আরো লেখা