অনেক সংগঠন বঙ্গবন্ধুর নামে চাঁদাবাজি করে : সেতুমন্ত্রী

oka

অনেক সংগঠন বঙ্গবন্ধুর নামে চাঁদাবাজি করে অনুষ্ঠান আয়োজন করে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘অনেক সংগঠন আছে বঙ্গবন্ধুর নামে চাঁদাবাজি করে অনুষ্ঠান আয়োজন করে। তবে ব্যতিক্রম বঙ্গবন্ধু পরিষদ। আওয়ামী লীগের বাইরে এটিই একমাত্র সংগঠন, যেটি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনাকে যথাযথভাবে ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা চাঁদাবাজি করে অনুষ্ঠান আয়োজন করে না।’ বুধবার বঙ্গবন্ধু পরিষদ আয়োজিত মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. এসএ মালেক।
জঙ্গিবাদ সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গিবাদের বিপদ এখনও শেষ হয়নি। বিপদ এখনও আছে, এখনও ভয়ে কারণ আছে। জঙ্গিরা যে তলে তলে আরও ভয়াবহ আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে না, এ কথা বলা যাবে না।’
রাজধানীর আশকোনায় জঙ্গি আস্তানার ঘটনা প্রসঙ্গ টেনে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গিবাদ নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাও শঙ্কিত। জঙ্গিবাদ নিয়ে বিচলিত, উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে। খণ্ড খণ্ড প্রতিবাদ করে হবে না, সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে জঙ্গিবাদের বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলতে হবে।’
বাংলাদেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবারকে ধ্বংস করা হয়েছে। কিন্তু চক্রান্ত এখনও শেষ হয়নি। চক্রান্ত এখনও চলছে। শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানের যে ঘটনা ঘটলো, সেটাকে হালকাভাবে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। এর আগে শেখ হাসিনাকে শারীরিকভাবে আক্রমণের জন্য ১৯ বার চেষ্টা হয়েছে। বিমানের এই ঘটনা দিয়ে বলা যায় তাকে ২০ বার আক্রমণের চেষ্টা করা হলো।’
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে যাদের জন্ম, ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে যাদের বিকাশ, তারাই ষড়যন্ত্রের কথা বলেন। শেখ হাসিনা ষড়যন্ত্র করেন না, তিনি বার বার ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন নিয়ে কিছু খুঁজে না পেয়ে বিএনপি নেত্রী এখন অন্ধকারে ঢিল মারছেন।’
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আআমস আরেফীন সিদ্দিক, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আখতারুজ্জামান, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরো লেখা