চিনিশিল্প গত দুই বছরে নতুন দিগন্তের পথে

Sugar

তাজমূল আলম তাজু :
সরকার চিনিকল গুলোকে লাভজনক খাতে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় সংকল্পে ঢেলে সাজানোর নানামূখী উদ্যোগ গ্রহণ করায় চিনিশিল্প নতুন করে আবার আশার আলো দেখতে শুরু করেছে। এক সময়ে এই শিল্প মোটামুটি লাভজনকই ছিল।
পরিসংখ্যানে দেখা যায় চিনিশিল্পের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২ লাখ ১০ হাজার টন হলেও ২ লাখ ৭০ হাজার মে:টন চিনি উৎপাদনের রেকর্ড আছে। (১৯৭২ থেকে ২০০৩) পর্যন্ত লাভ ক্ষতির পরিমাণ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৩টি মৌসুমে লাভ করেছিল ২১২ কোটি টাকা, বাকী ১৮টি মৌসুমে লোকসান ছিলো ১০৭২ কোটি টাকা।
অর্থাৎ ৩১ বছরের নীট লোকসান ছিলো ৮৬০ কোটি টাকা। আর ঐ সময়ে চিনিশিল্প সংস্থা সরকারী কোষাগারে রাজস্ব প্রদান করেছিলো ১৯৪১ কোটি টাকা।
সেই স্বর্ন সময়ে বিএসএফআইসির বহু প্রতিষ্ঠান ছিলো তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভেজিটেবিল ওয়েল মিল, নাবিস্কো, দেশবন্ধু, ক্রিসেন্ট ওয়েল মিলসহ অরো অনেক লাভজনক প্রতিষ্টান ছিলো যা এখন শুধুই সোনালী অতীত।
সবশেষে চিনিশিল্প টিকে আছে শুধু চিনি উৎপাদনের উপর ভিত্তি করে। দিনের পর দিন চিনিশিল্পের লোকসানের পরিমাণ বেড়েই চলেছে। বহুদিন ধরে চিনিশিল্পে হতাশা বাসা বেধেঁ আছে এই শিল্পের সংগে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৫০ লাখ মানুষের মাঝে।
আজকের বাংলাদেশের বিভিন্ন ফষলের বিন্যাসে একজন কৃষকের ফষল চাষের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অনেক বেশি। আগের মত পতিত জমি রাখার কোন সুযোগও নাই কিংবা কৃষকের মধ্যে সেই মানসিকতাও নেই কারন আখ দীঘর্ মেয়াদী ফসল।
পরিপক্ক হওয়ার পরও একই সঙ্গে সবার আখ তুলে নেয়ার সুযোগ নেই কিন্তু পূর্বে ফসলের এত বৈচিত্র ছিল না, মানুষ বাধ্য হয়ে আখ লাগাতো আর সে আখ থেকে একই বছরে ২ লাখ ৭০ হাজার টন পর্যন্ত চিনি উৎপাদন করার রেকর্ড ও ছিল। এখন যে পরিমান চিনি হচ্ছে তার উৎপাদন খরচ বিক্রয় মূল্যের অনেক বেশী ফলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকাও খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ অবস্থায় সাধারণ ব্যবসায়ী হিসেবে চিন্তা করলে যে কেউ মুখ ফসকে বলতে পারেন এটা বন্ধ করে দেয়ার কথা কিন্তু অসুস্থ একজন রোগীকে চিকিৎসা না দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঠেলে দেয়া যেমন পরামর্শ হতে পারে না এ ক্ষেত্রে সংস্থাকে বন্ধ না করে কি ভাবে লাভজনক করে নিয়ে আসা যায় সেটা ভাবাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ কারণ এ শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশের প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান
সেই কথা ভেবেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দেশের চিনিকলগুলোকে জাতীয় করণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন। চিনিশিল্প একটি কৃষি ভিত্তিক শিল্প, আখের মত একটি পন্য যার পাতা থেকে মোথা পর্যন্ত সবকিছুরই রয়েছে অর্থনৈতিক গুরুত্ব আর তাকে কেন্দ্র করে যে শিল্প সেটা কেন অলাভজনক হবে তা অর্থনীতিবিদদের এখনও বোধগম্য নয়।
সময় এসেছে, সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হয়েছে, সরকারের পৃষ্টপোষকতা বেড়েছে তাই শুধুমাত্র আখের উপর ভিত্তি করে চিনি শিল্পকে লাভজনক ভাবা উচিৎ নয় কারন শুধু চিনি কেন্দ্রিক আখ শিল্প কোথাও নাই।
ঠিক এমনই একটি পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাঁরই সুযোগ্যা কন্যা বিশ্ব মানবতার জীবন্ত কিংবদন্তি, গণতন্ত্রের মানসকন্যা ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রুপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একনেক এর বৈঠকে চিনিশিল্পকে টিকিয়ে ও লাভজনক খাতে নেয়ার জন্য চিনিকলগুলোর জন্য দুটি প্রকল্প অনুমোদন করেছেন, যার একটি হল ঠাঁকুরগাও চিনিকলের ৪১১ কোটি ১০ লক্ষ টাকার। যেখানে রয়েছে রিপ্লেসমেন্ট অব ওল্ড মেশিনারী এন্ড অ্যাডিশন অব মেশিনারী ফর সুগার বিট প্রডাকশনাল।
প্রকল্পের অধীনে আরো আছে, সুগার বিট উৎপাদন, পুরাতন যন্ত্রপাতী সংস্কার, ডিষ্টিলারিজ প্রজেক্ট, কো-জেনারেশন পাওয়ার প্লান্ট, বায়োকম্পোষ্ট ফার্টিলাইজার এবং রিফাইনারি সুগার প্লান্ট এর কাজ করা।
এছাড়াও বিশেষ করে, যে মাটি ও মানুষের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবদ্দশায় সারা জীবন সংগ্রাম করে গেছেন তাদের অধিকার আদায়ের জন্য, যে মাটিতে পিতা চির শায়িত আছে সেই পূন্যভূমির মাটি ও মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে কৃষকের রুটি রুজির গুরু দ্বায়িত্ব মাথায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সমস্ত এলাকায় লোনাযুক্ত অনাবাদি কৃষি জমি পড়ে আছে বিশেষ করে মংলা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাটে সুগারবিট চাষের উপরে জোর দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে একদিকে যেমন কৃষকের আয়বৃদ্ধিসহ কৃষি জমির পরিমান বৃদ্ধি পাবে অন্যদিকে তেমন চিনির উৎপাদন বৃদ্ধিকল্পে চিনিকলগুলো বেশী দিন উৎপাদন কার্যক্রম চালাতে পারবে।
এজন্য প্রধানমন্ত্রী নিজেই স্বপ্রণোদিত হয়ে ঠাঁকুরগাও চিনিকল প্রকল্পের আরো ৭৫ কোটি টাকা বৃদ্ধি করে প্রায় ৪৮৭ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বৃদ্ধির নির্দেশ দেন এবং কৃষকের নিকট থেকে দ্রুত সুগার বিট সংগ্রহ করে তা গুদামজাত করে চিনিকলটি অরো বেশি দিন চালানোর জন্য একটি আধুনিক ও উন্নতমানের উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন চিলায়ার ষ্টোরেজ সংযোজন করার অনুমতি প্রদান করেছেন চিনিশিল্প সংস্থাকে।
আরেকটি হলো ৩২৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নর্থবেঙ্গল চিনিকলের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করেছেন, এই প্রকল্পে রয়েছে ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, ডিষ্টিলারি স্থাপন এর মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন, বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন এবং বায়োকম্পোষ্ট ফার্টিলাইজার তৈরী। চিনিকল গুলোর নতুন করে ঘুরে দাড়ানোর দৃঢ় প্রত্যয়ে প্রধানমন্ত্রী, শিল্পমন্ত্রী ও সিনিয়র শিল্প সচিবের নির্দেশনায় নির্দেশিত হয়ে চিনিশিল্পের ভা: চেয়ারম্যান এ কে এম দেলোয়ার হোসেন অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে আস্থার সাথে দৃঢ় সংকল্পে ঘুড়ে দাড়ানোর তীব্র আকাঙ্খায় অবিরাম কাজ করে চলেছেন আর প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চিনিশিল্পেও এর প্রভাব ফেলিয়েছে
কোন আখ চাষীর যাতে আখের মূল্যের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুড়তে না হয় কিংবা স্থানীয় দালালদের খপ্পরে না পরতে হয় সে জন্য ই-পুজি, মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে আখ চাষীদের সমস্ত পাওনা পরিশোধের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সরকাররে সহযোগিতায়। চাষীরা যাতে করে সঠিক ওজনে আখ দিতে পারে সে লক্ষ্যে চিনিকলগুলোতে ডিজিটাল ওজন যন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে বা হচ্ছে।
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে চিনিশিল্প এখন বর্তমান সরকারের বিপুল সম্ভাবনাময় ও উন্নয়নের চ্যালেজ্ঞিং একটি খাত হিসেবে গণ্য হয়েছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নীতি নির্ধারকগন মনে করেন দেশীয় এই চিনিশিল্প সংস্থা লাভজনক হলে একদিকে সরকারের যেমন রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা তথা রাষ্ট্রীয় সম্পদের স্বদব্যবহার হবে অন্যদিকে তেমন সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে।
চিনিশিল্পের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে- কেরু এ্যন্ড কোং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম আরশাদ আলী বলেন যে, গত ২ বছরে চিনিশিল্প অনেক এগিয়ে গেছে এবং আধুনিকায়ন হয়েছে। ২ বছর পূর্বেও যেখানে টন টন চিনি মিল গুলোর গোডাউনে মজুদ থাকতো কিন্তু বিক্রি হতো না সেখানে চিনির বিপনন ব্যবস্থা পরিবর্তনের কারনে মার্কেটে আজ আমাদের চিনির এতটাই চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে যে, আমরা চাহিদা অনুযায়ী চিনি সরবরাহ করতে পারছি না। এ কারনে আখ চাষিরা যাতে বিপুল পরিমানে আখ চাষে উদ্বুদ্ধ হয়ে চিনিকলগুলোতে আখ সরবরাহ করে এবং চিনিকলগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধি তথা বেশীদিন চালু রাখার স্বার্থে সরকার দিন দিন আখের মূল্য বৃদ্ধি করে চলেছে। এছাড়া তিনি আরো বলেন, কেরু এ্যন্ড কোং এ বিএমআর প্রকল্প গ্রহন তথা চিনিকলগুলোকে বহুমুখী উৎপাদন করে লাভ জনক খাতে পরিনত করার জন্য সরকার তথা সরকারের উচ্চ মহল গুলো খুবই তৎপর।
চিনিশিল্পের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে- নর্থবেঙ্গল চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আব্দুল আজিজ বলেন যে, নর্থবেঙ্গল চিনিকলে যে প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে তাতে খুব শীঘ্রই প্রতিষ্ঠানটি লাভ জনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত হবে। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী, শিল্পমন্ত্রী, সিনিয়র শিল্পসচিব এবং চিনিশিল্পের সুযোগ্য ব্যবস্থাপনাকে আন্তরিকভাবে কৃতঙ্গতা প্রকাশ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, চিনি শিল্প একদিন তার হারানো সোনালী অতীত ফিরে পাবে।
চিনিশিল্পের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে- ঠাকুরগাঁও চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনায়েত হোসেন বলেন, ঠাকুরগাঁও চিনিকলে যে প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে তাতে খুব শীঘ্রই প্রতিষ্ঠানটি লাভ জনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত হবে। এজন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিল্পমন্ত্রী, সিনিয়র শিল্পসচিব এবং চিনিশিল্পের সুযোগ্য ব্যবস্থাপনাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার কারনে চিনি শিল্পে চিনির বাজার সাধারণ ভোক্তা সহ সমাজের এলিট শ্রেণী র কাছে দেশী এ সংস্থার চিনির চাহিদা বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।
চিনিশিল্পের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে রেণউইক যজ্ঞেশ্বর এ্যন্ড কোং (বিডি) লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার চিনিশিল্পের প্রতি খুবই সদয় কারন চিনিশিল্পই ছিল জাতির পিতার প্রিয় একটি শিল্প। আর চিনিশিল্প বিপুল সম্ভাবনাময় একটি খাত।
বাংলাদেশে অনেক ডেইরি ফার্ম আছে আর আমাদের চিনিকলগুলোর যে বাই প্রডাক্ট হয় তা দিয়ে যদি গো-খাদ্য তৈরী করতে পারি তাহলে এ খাত থেকেও বিপুল পরিমানের অর্থ আয় করা সম্ভব। আর এই গো-খাদ্য তৈরী করতে যে সমস্থ যন্ত্রাংশ প্রয়োজন হবে তা রেণউইক তৈরী করতে সক্ষম হবে বলে তিনি মতামত ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, রেনউইক তার অতীত অভিঙ্গতা দিয়ে অনেক মূল্যবান যন্ত্রাংশ তৈরী করে বৈদেশিক মূদ্রা সাশ্রয়ে অগ্রনী ভ’মিকা রেখে চলেছে।
মোবাইল ব্যংকিং এর মাধ্যমে আখের মূল্য পরিশোধ সম্পর্কে সাধারণ আখ চাষীদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা বিপুল উৎসাহে বলেন, মোবাইল ব্যংকিং এর মাধ্যমে আখের মূল্য পরিশোধ করায় আমাদের খুব সুবিধা হয়েছে। কষ্ট করে লাইনে দাড়িয়ে কিংবা দালালের মাধ্যমে তাদের কমিশন দিয়ে টাকা পেতে হয়নি কিন্তু কিছু দালাল চক্র আমাদেরকে ভুল বুঝিয়ে ছিলো যে এই পদ্ধতি ভালো না।
তবে আমাদের পূর্ণ আখের মূল্য খুব সহজেই মোবাইল ব্যংকিং এর মাধ্যমে টাকা পেয়েছি। এজন্য তারা সরকারকে ধন্যবাদ জানায়। তারা আরো বলেন যে, মোবাইল যেমন আমাদের যোগাযোগ মাধ্যমের আমুল পরিবর্তন এনেছে ঠিক তেমনি মোবাইল ব্যংকিং এর মাধ্যমে আখের মূল্য পরিশোধ করায় আখ চাষীদের জীবনেও আমুল পরিবর্তন এসেছে এবং তাদের দাবী আখচাষের প্রতি চাষীদের দীর্ঘদিনের অনিহা অতিসত্বর লাঘব হবে।
চিনিশিল্পের উত্তরনের পথে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চিনিকলগুলোর ভেতরের কিংবা বাহিরের কিছু সংখ্যক লোক বলেন যে, চিনিশিল্পের মধ্যে ও বাহিরের কিছু স্বার্থ্যানেষী মহল আছে যারা নিজেদের ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য কিংবা না পেরে সরকারের চিনিশিল্পকে নিয়ে উন্নয়নমূখী কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা তথ্য উপাত্ত দিয়ে অপপ্রচার করে চিনিশিল্পের অগ্রযাত্রাকে বিঘিœত করার চেষ্টা করছে,তাদের কঠিন হস্তে মোকাবেলা করতে হবে এবং চিহ্নিত করতে হবে বলে তারা জোর দাবি করেন সরকারের কাছে।
বলার অপেক্ষা রাখে না, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে নিয়ে যে উন্ননের রোল মডেলের রুপকার হয়েছেন এবং চিনিশিল্পকে নিয়ে তাঁর যে উচ্চাকাংঙ্খা থেকে প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দিয়েছেন, প্রকল্পগুলো সাফল্যের মুখ দেখলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হবেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের রুপকার আর শিল্পমন্ত্রী জনাব আমির হোসেন আমুই হবেন চিনিশিল্পের এই নতুন জাগরনের অন্যতম পথিকৃত। সোনার বাংলায় বাস্তবায়িত হবে চিনিশিল্পকে নিয়ে জাতির পিতার দেখা সেই স্বপ্ন আর চিনিশিল্প পাবে তাদের হারানো সোনালী সেই অতীত।
#

এ সম্পর্কিত আরো লেখা