রাখাইনে ত্রাণ বিতরণের সুযোগ দিতে রাজি মিয়ানমার

rakhaine-rajjo-

রাখাইন রাজ্যে নতুন করে জাতিসংঘের ত্রাণ তৎপরতার সুযোগ দিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে সরকারের বাধার কারণে রাখাইনে দুই মাসের জন্য খাদ্য, পানীয় ও জরুরি ওষুধ সরবরাহ বন্ধ করে দেয় জাতিসংঘ। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রাখাইনের সহিংসতা কবলিত মংডু ও বুথিডংয়ের শহর থেকে আংশিক সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদলু এজেন্সির খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার দেশটির সেনাপ্রধানের কার্যালয় এই তথ্য জানিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার জেনেভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডব্লিউএফপি’র মুখপাত্র বেট্টিনা লুয়েশের ত্রাণ সরবরাহ বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
তিনি বলেন, সংঘাতকবলিত রাখাইন রাজ্যে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি শুরুর ব্যাপারে দেশটির কর্তৃপক্ষ সবুজ সংকেত দিয়েছে। এ ব্যাপারে তাদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ত্রাণ তৎপরতা পুনরায় চালু করতে কত দিন সময় লাগতে পারে বা কর্মসূচি কত দিন চলবে তিনি সে ব্যাপারে কিছু জানাননি।
ডব্লিউএফপি’র এই কর্মকর্তা বলেন, সেখানে কী ঘটছে সেটা আমাদের আগে জানতে হবে। ঘটনাস্থলে না গিয়ে কিছুই বলা সম্ভব নয়।
এদিকে জাতিসংঘের শিশু তহবিল- ইউনিসেফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া অনেক শিশু মারাত্মক অপুষ্টির শিকার। তারা মৃত্যুর কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ইউনিসেফের হিসাবে, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ লাখ। এই শিশুদের প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন মারাত্মক পুষ্টিহীনতার শিকার।

এ সম্পর্কিত আরো লেখা