শিশুর জন্য খরচ কমানোর উপায়

baby after bath #11

এমনিতেই খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসাসহ মৌলিক প্রয়োজন মেটানো কষ্টকর। তার ওপর সংসারে নতুন অতিথি আসা মানেই খরচ আরও ৩ গুণ বেড়ে যাওয়া। ফলে সংসার চালাতে বাবা-মাকে অনেক সময় হিমশিম খেতে হয়। তাই শিশুদের পেছনে টাকা খরচের ব্যাপারে আগে থেকেই সতর্ক থাকা ভালো। যারা সদ্য বাবা-মা হয়েছেন বা হবেন তাদের জন্য খরচ বাচানোর ৭টি উপায় বাতলে দিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম টুডে।

অপ্রয়োজনে নতুন খাট/পালঙ্ক কেনা যাবে না :
সংসারে নতুন অতিথি আসবে বা এসেছে- এমন ধারণা থেকে আগেভাগেই নতুন খাট বা পালঙ্ক কেনা থেকে বিরত থাকতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, পরিবারে নতুন শিশু আসছে- এ উপলক্ষ্যকে সামনে রেখে পালঙ্ক বা খাট কেনা হলে তা পরে কোনো কাজেই আসে না।

পোশাক কেনার ক্ষেত্রে মিতব্যয়ী হতে হবে :
অনেকেই শিশুদের জন্য অতিরিক্ত পোশাক কেনেন। যা পরে কাজে আসে না। ওই পোশাক দুই দিন পরেই অনেক সময় তা ছোট হয়ে যায় বা ফেলে দিতে হয়। তাই বাচ্চাদের পোশাক কেনার ব্যাপারে মিতব্যয়ী হতে হবে। অপ্রয়োজনে গাদা গাদা পোশাক কেনার দরকার নেই।

বাচ্চার জন্য কিছু কেনার আগে ভাবতে হবে :
বাচ্চার জন্য কোনো কিছু কেনার আগে ভেবে নিন যে ওই জিনিস তার কতটুকু কাজে আসবে বা বাসায় স্মৃতি হিসেবে পড়ে থাকবে কিনা?

খেলনা কেনার ক্ষেত্রে সৌন্দর্যের উপর গুরুত্ব দিতে হবে :
দামে নয়, বাচ্চার খেলনা কেনার ক্ষেত্রে সৌন্দর্যের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। অযথা কিছু কিনবেন না। কারণ, বাচ্চারা দাম নয়, সৌন্দর্যই পছন্দ করে।

খাবারের পরিকল্পনা করতে হবে :
শিশুরা সাধারণত কম খায়- এটা সবাই জানে। কিন্তু দেখা যায়, তাদের জন্য অনেক বাবা-মা বাজার থেকে গাদা গাদা খাবার কিনে নিয়ে আসছেন; যা অন্যরা খায় বা অনেকটা নষ্ট হয়। তাই আগে থেকেই বাচ্চার জন্য খাবারের পরিকল্পনা রাখতে হবে। বেশি খাবার নয়, পুষ্টিযুক্ত খাবারে গুরুত্ব দিতে হবে। ফলে খাবারে অতিরিক্ত খরচ কমে যাবে।

শিশুর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মিতব্যয়ী হতে হবে :
শিশুর জন্মদিন বা শিশুর বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠান করার আগে ভাবতে হবে। বড় কেক না কিনে ছোট কেক কিনুন। অধিকতর পেশাদারি ও আনুষ্ঠানিকতার ভারে নিজেকে গুলিয়ে দিলে খরচ স্বভাবতই বেশি হবে।

শিশুর আগমণকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে হবে :
অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ না হয়ে শিশুর আগমণকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

এ সম্পর্কিত আরো লেখা